মধুমতি এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচী ২০২৬
মধুমতি এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচী জানতে চাইলে সংক্ষেপে বলা যায় এই ট্রেন (৭৫৫) ঢাকা কমলাপুর থেকে বিকাল ০৩:০০টায় ছেড়ে রাত ১০:৩০টায় রাজশাহী পৌঁছায়, আর ফিরতি ট্রেন (৭৫৬) রাজশাহী থেকে সকাল ০৬:৪০টায় ছেড়ে দুপুর ০২:৪৫টায় ঢাকা পৌঁছে দেয়। প্রতি শনিবার এই ট্রেন বন্ধ থাকে। ২০২৬ সালের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী নিচে বিস্তারিত স্টেশনভিত্তিক সময়সূচি ও ভাড়ার তালিকা দেওয়া হলো।
রাজশাহীর বিখ্যাত আমের মৌসুম হোক কিংবা ঈদের ছুটিতে বাড়ি ফেরার তাড়া, ঢাকা থেকে রাজশাহী যাত্রীদের অন্যতম পছন্দের বাহন মধুমতি এক্সপ্রেস। দীর্ঘ পথের ক্লান্তি দূর করে এই ট্রেন যাত্রীদের গন্তব্যে পৌঁছে দেয় আরামে ও নিরাপদে। অনেক যাত্রী পুরনো সময়সূচি দেখে শেষ মুহূর্তে বিভ্রান্তিতে পড়েন, তাই ২০২৬ সালের হালনাগাদ শিডিউল, স্টেশন তালিকা ও ভাড়া নিয়ে এই আর্টিকেলে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।
আন্তঃনগর এই ট্রেনটি প্রতিদিন ঢাকা থেকে রাজশাহী জংশন এবং রাজশাহী থেকে আবার ঢাকায় ফিরে আসে। পদ্মা সেতু হয়ে যাত্রা করায় ভ্রমণ সময় উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে, ফলে যাত্রীরা দ্রুত ও আরামে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারছেন। যাত্রাপথে এটি প্রায় ২২টি স্টেশনে যাত্রাবিরতি করে।
জেনে রাখুনঃ বিজয় এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচী
Table of Contents
মধুমতি এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচী ২০২৬ (ঢাকা টু রাজশাহী) কেমন?
মধুমতি এক্সপ্রেস (৭৫৫) ঢাকা কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে বিকাল ০৩:০০টায় যাত্রা শুরু করে। এই সময়সূচি এমনভাবে সাজানো হয়েছে যাতে যাত্রীরা বিকেলে ঢাকা ছেড়ে রাতেই রাজশাহী পৌঁছাতে পারেন।
| স্টেশনের নাম | আগমনের সময় | ছাড়ার সময় |
|---|---|---|
| ঢাকা কমলাপুর | — | বিকাল ০৩:০০টা |
| মাওয়া | বিকাল ০৩:৩৬টা | বিকাল ০৩:৩৭টা |
| পদ্মা | বিকাল ০৩:৫১টা | বিকাল ০৩:৫২টা |
| শিবচর | বিকাল ০৪:০৩টা | বিকাল ০৪:০৪টা |
| ভাঙ্গা | বিকাল ০৪:৩০টা | বিকাল ০৪:৩১টা |
| পাকুরিয়া | বিকাল ০৪:৪৫টা | বিকাল ০৪:৪৬টা |
| তালমা | বিকাল ০৪:৫০টা | বিকাল ০৪:৫১টা |
| ফরিদপুর | সন্ধ্যা ০৫:০৩টা | সন্ধ্যা ০৫:০৫টা |
| আমিরাবাদ | সন্ধ্যা ০৫:১৮টা | সন্ধ্যা ০৫:১৯টা |
| পাচুরিয়া | সন্ধ্যা ০৫:৩৫টা | সন্ধ্যা ০৫:৩৬টা |
| কালুখালি | সন্ধ্যা ০৬:২৩টা | সন্ধ্যা ০৬:২৪টা |
| পাংশা | সন্ধ্যা ০৬:৩৫টা | সন্ধ্যা ০৬:৩৬টা |
| খোকসা | সন্ধ্যা ০৬:৫২টা | সন্ধ্যা ০৬:৫৩টা |
| কুমারখালি | সন্ধ্যা ০৭:২২টা | সন্ধ্যা ০৭:২৩টা |
| কুষ্টিয়া কোর্ট | সন্ধ্যা ০৭:৩৬টা | সন্ধ্যা ০৭:৩৭টা |
| পোড়াদহ | সন্ধ্যা ০৭:৪৫টা | সন্ধ্যা ০৭:৪৬টা |
| মিরপুর | রাত ০৮:২০টা | রাত ০৮:২১টা |
| ভেড়ামারা | রাত ০৮:৩২টা | রাত ০৮:৩৩টা |
| পাকশি | রাত ০৮:৪৭টা | রাত ০৮:৪৮টা |
| ঈশ্বরদী জংশন | রাত ০৯:০৫টা | রাত ০৯:০৭টা |
| রাজশাহী জংশন | রাত ১০:৩০টা | — |
এই সময়সূচি ২০২৬ সালের জন্য প্রযোজ্য এবং যাত্রীদের সুবিধার্থে ট্রেন কর্তৃপক্ষ নির্ধারিত সময় মেনে চলার চেষ্টা করে। তবে অনিবার্য পরিস্থিতিতে সময়ের সামান্য পরিবর্তন হতে পারে। মধুমতি এক্সপ্রেস (৭৫৫) ঢাকা থেকে বিকাল ০৩:০০টায় ছেড়ে রাত ১০:৩০টায় রাজশাহী পৌঁছায়, মোট ভ্রমণ সময় প্রায় সাড়ে সাত ঘণ্টা।
জেনে রাখুনঃজয়দেবপুর টু ঢাকা ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়া
রাজশাহী টু ঢাকা মধুমতি ট্রেনের সময়সূচী ২০২৬ কেমন?
রাজশাহী থেকে ঢাকাগামী মধুমতি এক্সপ্রেস (৭৫৬) সকালবেলা যাত্রা শুরু করে, যা রাজশাহীবাসীকে দুপুরের আগেই ঢাকায় পৌঁছে দেওয়ার একটি চমৎকার ব্যবস্থা।
| স্টেশনের নাম | আগমনের সময় | ছাড়ার সময় |
|---|---|---|
| রাজশাহী জংশন | — | সকাল ০৬:৪০টা |
| ঈশ্বরদী জংশন | সকাল ০৮:০০টা | সকাল ০৮:০২টা |
| পাকশি | সকাল ০৮:১২টা | সকাল ০৮:১৩টা |
| ভেড়ামারা | সকাল ০৮:২৭টা | সকাল ০৮:২৮টা |
| মিরপুর | সকাল ০৮:৩৯টা | সকাল ০৮:৪০টা |
| পোড়াদহ | সকাল ০৯:১০টা | সকাল ০৯:১১টা |
| কুষ্টিয়া কোর্ট | সকাল ০৯:২৫টা | সকাল ০৯:২৬টা |
| কুমারখালি | সকাল ০৯:৪৪টা | সকাল ০৯:৪৫টা |
| খোকসা | সকাল ১০:০৩টা | সকাল ১০:০৪টা |
| পাংশা | সকাল ১০:২০টা | সকাল ১০:২১টা |
| কালুখালি | সকাল ১০:৩১টা | সকাল ১০:৩২টা |
| রাজবাড়ী | সকাল ১১:০৫টা | সকাল ১১:০৬টা |
| পাচুরিয়া | সকাল ১১:২০টা | সকাল ১১:২১টা |
| আমিরাবাদ | সকাল ১১:৩২টা | সকাল ১১:৩৩টা |
| ফরিদপুর | সকাল ১১:৪৯টা | সকাল ১১:৫১টা |
| তালমা | দুপুর ১২:১০টা | দুপুর ১২:১১টা |
| পাকুরিয়া | দুপুর ১২:২০টা | দুপুর ১২:২১টা |
| ভাঙ্গা | দুপুর ১২:৩০টা | দুপুর ১২:৩১টা |
| শিবচর | দুপুর ১২:৫০টা | দুপুর ১২:৫১টা |
| পদ্মা | দুপুর ০১:১৬টা | দুপুর ০১:১৭টা |
| মাওয়া | দুপুর ০২:০০টা | দুপুর ০২:০১টা |
| ঢাকা কমলাপুর | দুপুর ০২:৪৫টা | — |
এই রুটে ভ্রমণ করলে যাত্রীরা সকালে রাজশাহী থেকে রওনা দিয়ে দুপুরের মধ্যেই ঢাকায় পৌঁছে দিনের বাকি সময় নিজেদের কাজে ব্যবহার করতে পারেন, যা কর্মব্যস্ত যাত্রীদের জন্য বিশেষভাবে সুবিধাজনক। মধুমতি এক্সপ্রেস (৭৫৬) রাজশাহী থেকে সকাল ০৬:৪০টায় ছেড়ে দুপুর ০২:৪৫টায় ঢাকা কমলাপুর পৌঁছায়।
মধুমতি এক্সপ্রেস ট্রেনের বন্ধের দিন কোনটি?
মধুমতি এক্সপ্রেস ট্রেন প্রতি শনিবার বন্ধ থাকে। রেলওয়ের নিয়ম অনুযায়ী সপ্তাহে সাত দিনই এই ট্রেন চলে না শনিবার ছাড়া বাকি ছয়দিন এটি নিয়মিত চলাচল করে।
শনিবার ভ্রমণের পরিকল্পনা থাকলে ঢাকা-রাজশাহী রুটের অন্যান্য ট্রেন যেমন সিল্কসিটি এক্সপ্রেস বা ধূমকেতু এক্সপ্রেস বেছে নেওয়া যেতে পারে। টিকেট কাটার আগে অবশ্যই তারিখ যাচাই করে নেওয়া উচিত, কারণ শনিবারের জন্য মধুমতি এক্সপ্রেসের টিকেট রেলওয়ের ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে না। মধুমতি এক্সপ্রেস প্রতি শনিবার বন্ধ থাকে, তাই এই দিনে ভ্রমণের প্রয়োজন হলে বিকল্প ট্রেন বেছে নিতে হবে।
মধুমতি এক্সপ্রেস ট্রেনের টিকেট মূল্য (ভাড়া) ২০২৬ কত?
২০২৬ সালের জন্য মধুমতি এক্সপ্রেস ট্রেনের টিকেট মূল্য আগের বছরের মতোই রাখা হয়েছে। অনলাইনে টিকেট কাটার সময় শোভন চেয়ার শ্রেণিতে ২০ টাকা এবং এসি শ্রেণিতে ৫০ টাকা অতিরিক্ত সার্ভিস চার্জ যুক্ত হয়।
| ভ্রমণ পথ | শোভন চেয়ার (টাকা) | এসি স্লিপার/এসি সিট (টাকা) |
|---|---|---|
| রাজশাহী – ঢাকা | ৫৮৫ | ১৩৪০ |
| রাজশাহী – মাওয়া | ৫৩৫ | ১২২৫ (প্রায়) |
| রাজশাহী – ফরিদপুর | ২৮৫ | ৬৫০ |
| রাজশাহী – রাজবাড়ী | ২৪৫ | ৫৫৮ |
| রাজশাহী – কুষ্টিয়া কোর্ট | ১৭৫ | ৪০৩ |
| রাজশাহী – ঈশ্বরদী | ৭৫ | ১৬৭ |
একইভাবে ঢাকা থেকে রাজশাহী পর্যন্ত টিকেট মূল্যও একই হারে প্রযোজ্য। ঢাকা থেকে রাজশাহী শোভন চেয়ারের ভাড়া ৫৮৫ টাকা এবং এসি শ্রেণির ভাড়া ১৩৪০ টাকা। মাঝপথের কোনো স্টেশনে ওঠার ক্ষেত্রে দূরত্ব অনুযায়ী ভাড়া কমে যায় যেমন ঢাকা থেকে ফরিদপুরের ভাড়া শোভন চেয়ারে প্রায় ৩২০ টাকা।
মধুমতি এক্সপ্রেস ট্রেনের টিকেট সংগ্রহের সহজ উপায় কী?
মধুমতি এক্সপ্রেস ট্রেনের টিকেট সংগ্রহের সবচেয়ে সহজ ও নির্ভরযোগ্য উপায় হলো অনলাইন পদ্ধতি। বাংলাদেশ রেলওয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট eticket.railway.gov.bd থেকে সহজেই টিকেট কাটা যায়।
- প্রথমে ওয়েবসাইটে প্রবেশ করুন।
- ‘ফ্রম’ সেকশনে ঢাকা এবং ‘টু’ সেকশনে রাজশাহী নির্বাচন করুন (বা বিপরীত রুটের জন্য উল্টো দিন)।
- যাত্রার তারিখ ও যাত্রী সংখ্যা দিয়ে সার্চ করুন।
- মধুমতি এক্সপ্রেস খুঁজে পেলে পছন্দের কোচ (শোভন/এসি) নির্বাচন করে আসন বেছে নিন।
- বিকাশ, নগদ, রকেট বা ব্যাংক কার্ডের মাধ্যমে পেমেন্ট সম্পন্ন করুন।
- পেমেন্ট শেষে ই-টিকেট পাবেন, যা প্রিন্ট করে বা মোবাইলে সংরক্ষণ করে রাখতে পারেন।
ট্রেন ছাড়ার ৭ দিন আগে থেকে টিকেট বিক্রি শুরু হয়। তাই আগে থেকে পরিকল্পনা করে টিকেট কেটে রাখলে পছন্দের আসন পাওয়া নিশ্চিত হয়। এছাড়া কমলাপুর বা রাজশাহী স্টেশনের কাউন্টার থেকেও সরাসরি টিকেট সংগ্রহ করা যায়, যারা অনলাইন লেনদেনে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন না তাদের জন্য এটি একটি ভালো বিকল্প।
আলোচিত কিছু প্রশ্ন ও উত্তর (FAQ)
ঢাকা থেকে রাজশাহী ট্রেনের টিকেট মূল্য কত?
ঢাকা থেকে রাজশাহী পর্যন্ত মধুমতি এক্সপ্রেস ট্রেনের টিকেট মূল্য শোভন চেয়ার শ্রেণিতে ৫৮৫ টাকা এবং এসি শ্রেণিতে ১৩৪০ টাকা। অনলাইনে কাটলে শোভনে ২০ টাকা এবং এসিতে ৫০ টাকা অতিরিক্ত নেওয়া হয়।
মধুমতি এক্সপ্রেস ট্রেন কোথায় কোথায় থামে?
ঢাকা থেকে রাজশাহী রুটে ট্রেনটি মাওয়া, পদ্মা, শিবচর, ভাঙ্গা, ফরিদপুর, রাজবাড়ী, কালুখালি, কুষ্টিয়া কোর্ট, পোড়াদহ, মিরপুর, ভেড়ামারা, পাকশি, ঈশ্বরদী সহ মোট প্রায় ২২টি স্টেশনে থামে।
মধুমতি এক্সপ্রেস ট্রেনের বন্ধের দিন কোনটি?
আন্তঃনগর এই ট্রেনটি প্রতি শনিবার বন্ধ থাকে। শনিবার ছাড়া সপ্তাহের বাকি দিনগুলোতে ট্রেন চলাচল করে।
মধুমতি এক্সপ্রেসের ৭৫৬ নম্বর ট্রেনটি রাজশাহী থেকে কতটায় ছাড়ে?
রাজশাহী টু ঢাকা মধুমতি ট্রেনের সময়সূচী ২০২৬ অনুযায়ী, ৭৫৬ নম্বর ট্রেনটি রাজশাহী জংশন থেকে সকাল ০৬টা ৪০ মিনিটে ছেড়ে যায়।
মধুমতি এক্সপ্রেস ট্রেনের টিকেট কিভাবে কাটব?
বাংলাদেশ রেলওয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট eticket.railway.gov.bd থেকে অনলাইনে টিকেট কাটা যায়। এছাড়া কমলাপুর বা রাজশাহী স্টেশনের কাউন্টার থেকেও টিকেট সংগ্রহ করা যায়।
মধুমতি এক্সপ্রেস ট্রেনে কোন কোন শ্রেণির আসন পাওয়া যায়?
এই ট্রেনে সাধারণত শোভন চেয়ার এবং এসি শ্রেণির আসন পাওয়া যায়, যাত্রীরা তাদের প্রয়োজন ও বাজেট অনুযায়ী শ্রেণি বেছে নিতে পারেন।
ঢাকা থেকে রাজশাহী যেতে মধুমতি এক্সপ্রেসে কত সময় লাগে?
ঢাকা থেকে রাজশাহী পৌঁছাতে মধুমতি এক্সপ্রেসে প্রায় সাড়ে সাত ঘণ্টা সময় লাগে, বিকাল ০৩:০০টায় ছেড়ে রাত ১০:৩০টায় রাজশাহী পৌঁছায়।
শেষ কথা
যাত্রীদের স্বাচ্ছন্দ্য ও নির্ভরযোগ্যতার কথা মাথায় রেখে মধুমতি এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে। ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়কে যানজট ও দীর্ঘ পথের ক্লান্তি এড়ানোর জন্য ট্রেনই সেরা বিকল্প হিসেবে বিবেচিত হয়। পদ্মা সেতু হয়ে চলাচলের কারণে এই ট্রেনের ভ্রমণ সময় আরও কমেছে যা যাত্রীদের জন্য একটি বড় সুবিধা।
রাজশাহী যেতে চাইলে এই ট্রেনটি আপনার ভ্রমণকে করবে আরামদায়ক ও সাশ্রয়ী। টিকেটের ভাড়া ও সময়সূচী জেনে আগে থেকে পরিকল্পনা করে টিকেট কেটে ফেলা উচিত, কারণ নির্দিষ্ট দিনে টিকেট সহজে নাও পাওয়া যেতে পারে বিশেষ করে ছুটির দিনগুলোতে যাত্রীদের ভিড় বেশি থাকে। শনিবার এই ট্রেন বন্ধ থাকে বলে সেই দিনের জন্য বিকল্প ট্রেনের ব্যবস্থা আগে থেকেই করে রাখা ভালো।
২০২৬ সালে আপনার ভ্রমণ হোক আনন্দময় ও নির্বিঘ্ন। সময়মতো ট্রেন ধরতে স্টেশনে আগেভাগে পৌঁছানো এবং প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সঙ্গে রাখা ভ্রমণকে আরও স্বস্তিদায়ক করে তুলবে।
Is an Entrepreneur, Business Adviser. He loves to do research on the business and acquire knowledge on the business topic and this knowledge he used in his business. He also believes that sharing is caring that’s why he starts to write for those people who actually need help with the business, jobs, management, soft skills, and self-employed topic which is very important for them.
