চিত্রা এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচী ২০২৬, ভাড়া, বন্ধের দিন ও ট্রেন কোড
চিত্রা এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচী জানেন কী? ২০২৬ সালের দেওয়া সময়সূচী অনুযায়ী, চিত্রা এক্সপ্রেস খুলনা থেকে সকাল ৯টায় ছেড়ে ঢাকার কমলাপুর স্টেশনে সন্ধ্যা ৬টা ৫ মিনিটে পৌঁছায়। বিপরীত পথে ট্রেনটি ঢাকা থেকে সন্ধ্যা ৭টা ৩০ মিনিটে যাত্রা করে এবং পরদিন সকাল ৫টায় খুলনায় পৌঁছায়। ট্রেনটির সাপ্তাহিক বন্ধের দিন রবিবার।
চিত্রা নদীর নামানুসারে নাম রাখা আন্তঃনগর চিত্রা এক্সপ্রেস বাংলাদেশের জনপ্রিয় ট্রেনগুলোর একটি। বিশেষ করে খুলনা, যশোর ও আশপাশের জেলার মানুষের কাছে ঢাকা যাতায়াতের জন্য এটি পরিচিত একটি রেলসেবা। যাত্রাপথে ট্রেনটি ঢাকা, জয়দেবপুর, টাঙ্গাইল, ঈশ্বরদী, পোড়াদহ, যশোর ও খুলনাসহ গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি শহর ও স্টেশনকে যুক্ত করেছে।
ঢাকা থেকে খুলনা পর্যন্ত এই ট্রেনের যাত্রাপথ প্রায় ৪৪৯ কিলোমিটার হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। দীর্ঘ রুটে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনে যাত্রাবিরতি থাকায় যাত্রীদের নিজ নিজ এলাকার কাছাকাছি স্টেশন থেকে ওঠানামা করার সুযোগ হয়। তবে রেলওয়ের পরিচালনাগত সিদ্ধান্ত, রক্ষণাবেক্ষণ, আবহাওয়া অথবা শিডিউল বিপর্যয়ের কারণে ট্রেনের সময় সাময়িকভাবে পরিবর্তিত হতে পারে। তাই যাত্রার দিন টিকিটে উল্লেখ করা সময় এবং বাংলাদেশ রেলওয়ের হালনাগাদ তথ্য দেখে নেওয়া ভালো।
Table of Contents
চিত্রা এক্সপ্রেস ট্রেনের নতুন সময়সূচী ২০২৬ কী?
নতুন সময়সূচী অনুযায়ী খুলনা থেকে ঢাকাগামী চিত্রা এক্সপ্রেস সকাল ৯টায় খুলনা স্টেশন ছাড়ে এবং সন্ধ্যা ৬টা ৫ মিনিটে ঢাকা কমলাপুরে পৌঁছায়। ঢাকা থেকে খুলনাগামী ট্রেনটি সন্ধ্যা ৭টা ৩০ মিনিটে কমলাপুর ছাড়ে ও রাতভর যাত্রা শেষে পরদিন সকাল ৫টায় খুলনায় পৌঁছায়।
| যাত্রাপথ | ছাড়ার সময় | পৌঁছানোর সময় | সাপ্তাহিক বন্ধ |
|---|---|---|---|
| খুলনা থেকে ঢাকা | সকাল ০৯:০০ | সন্ধ্যা ০৬:০৫ | রবিবার |
| ঢাকা থেকে খুলনা | সন্ধ্যা ০৭:৩০ | পরদিন সকাল ০৫:০০ | রবিবার |
ঢাকা থেকে খুলনা যেতে নির্ধারিত সূচি অনুসারে প্রায় ৯ ঘণ্টা ৩০ মিনিট সময় লাগে। অন্যদিকে খুলনা থেকে ঢাকা যেতে প্রায় ৯ ঘণ্টা ৫ মিনিট সময় প্রয়োজন হয়। স্টেশনে অপেক্ষা ক্রসিং অথবা পরিচালনাগত কারণে বাস্তব যাত্রার সময় কিছুটা কমবেশি হতে পারে।
ঢাকা থেকে খুলনা চিত্রা এক্সপ্রেসের সময়সূচী
ঢাকা থেকে খুলনাগামী রাতের চিত্রা এক্সপ্রেস কমলাপুর থেকে সন্ধ্যা ৭টা ৩০ মিনিটে যাত্রা শুরু করে। এরপর বিমানবন্দর, জয়দেবপুর, টাঙ্গাইল, ঈশ্বরদী, পোড়াদহ, যশোর ও নোয়াপাড়াসহ বিভিন্ন স্টেশনে থেমে পরদিন সকাল ৫টায় খুলনা পৌঁছায়।
| স্টেশনের নাম | সময়সূচী |
|---|---|
| ঢাকা কমলাপুর | 07:30 PM |
| বিমানবন্দর | 07:58 PM |
| জয়দেবপুর | 08:23 PM |
| টাঙ্গাইল | 09:42 PM |
| ইব্রাহিমাবাদ | 10:12 PM |
| এম মনসুর আলী | 10:41 PM |
| উল্লাপাড়া | 11:00 PM |
| বড়াল ব্রিজ | 11:20 PM |
| চাটমোহর | 11:35 PM |
| ঈশ্বরদী | 12:35 AM |
| ভেড়ামারা | 12:58 AM |
| পোড়াদহ | 01:20 AM |
| আলমডাঙ্গা | 01:37 AM |
| চুয়াডাঙ্গা | 01:57 AM |
| কোটচাঁদপুর | 02:49 AM |
| মোবারকগঞ্জ | 03:05 AM |
| যশোর | 03:44 AM |
| নোয়াপাড়া | 04:15 AM |
| খুলনা | 05:00 AM |
খুলনা থেকে ঢাকা চিত্রা এক্সপ্রেসের সময়সূচী
খুলনা থেকে ঢাকাগামী চিত্রা এক্সপ্রেস সকাল ৯টায় যাত্রা শুরু করে। নোয়াপাড়া, যশোর, চুয়াডাঙ্গা, পোড়াদহ, ঈশ্বরদী, টাঙ্গাইল ও জয়দেবপুরসহ গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনে যাত্রাবিরতি শেষে এটি সন্ধ্যা ৬টা ৫ মিনিটে ঢাকা কমলাপুরে পৌঁছায়।
| স্টেশনের নাম | সময়সূচী ২০২৬ |
|---|---|
| খুলনা | 09:00 AM |
| নোয়াপাড়া | 09:36 AM |
| যশোর | 10:08 AM |
| মোবারকগঞ্জ | 10:51 AM |
| কোটচাঁদপুর | 11:04 AM |
| দর্শনা | 11:31 AM |
| চুয়াডাঙ্গা | 11:53 AM |
| আলমডাঙ্গা | 12:12 PM |
| পোড়াদহ | 12:29 PM |
| মিরপুর | 12:41 PM |
| ভেড়ামারা | 12:54 PM |
| ঈশ্বরদী | 01:25 PM |
| চাটমোহর | 01:53 PM |
| বড়াল ব্রিজ | 02:09 PM |
| উল্লাপাড়া | 02:30 PM |
| এম মনসুর আলী | 02:49 PM |
| ইব্রাহিমাবাদ | 03:37 PM |
| টাঙ্গাইল | 03:59 PM |
| জয়দেবপুর | 05:11 PM |
| বিমানবন্দর | 05:35 PM |
| ঢাকা কমলাপুর | 06:05 PM |
গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ: যাত্রার আগে টিকিটে মুদ্রিত সময় যাচাই করুন এবং সম্ভব হলে নির্ধারিত সময়ের অন্তত ৩০ মিনিট আগে স্টেশনে উপস্থিত থাকুন। অনলাইনে পাওয়া কয়েকটি সূচিতে স্টেশনভিত্তিক সময়ের পার্থক্য দেখা যায়, যদিও খুলনা থেকে সকাল ৯টায় যাত্রা এবং রবিবার সাপ্তাহিক বন্ধ থাকার তথ্য একাধিক তালিকায় মিলেছে।
চিত্রা এক্সপ্রেস ট্রেনের ভাড়ার তালিকা কত?
চিত্রা এক্সপ্রেস ট্রেনের ভাড়া আসনের ধরন অনুযায়ী নির্ধারণ করা হয়েছে। বর্তমানে এই ট্রেনে শোভন চেয়ার, স্নিগ্ধা এবং এসি শ্রেণির আসন রয়েছে। অনলাইনে টিকিট কাটলে নির্ধারিত ভাড়ার সঙ্গে অতিরিক্ত ২০ টাকা সার্ভিস চার্জ প্রযোজ্য হবে।
| আসনের ধরন | টিকিট মূল্য |
|---|---|
| শোভন চেয়ার | ৬৩০ টাকা |
| স্নিগ্ধা | ১২০৮ টাকা |
| এসি | ২১৬৮ টাকা |
কমলাপুর রেলস্টেশন থেকে খুলনা পর্যন্ত প্রায় ৪৪৯ কিলোমিটার দীর্ঘ এই যাত্রায় যাত্রীদের আরামদায়ক ভ্রমণের জন্য বিভিন্ন শ্রেণির আসনের ব্যবস্থা রয়েছে। নিজের বাজেট ও প্রয়োজন অনুযায়ী যাত্রীরা আসন নির্বাচন করতে পারেন।
স্টেশনভিত্তিক চিত্রা এক্সপ্রেস ট্রেনের ভাড়ার তালিকা
ঢাকা থেকে বিভিন্ন স্টেশন পর্যন্ত যাত্রার ক্ষেত্রে ভাড়া গন্তব্য অনুযায়ী পরিবর্তিত হয়। নিচে জনপ্রিয় কয়েকটি রুটের শোভন চেয়ার, স্নিগ্ধা এবং এসি শ্রেণির ভাড়া দেওয়া হলো:
| স্টেশন | শোভন চেয়ার | স্নিগ্ধা | এসি |
|---|---|---|---|
| ঢাকা – নোয়াপাড়া | ৫৯৫ টাকা | ১১৩৯ টাকা | ২০৪৭ টাকা |
| ঢাকা – যশোর | ৫৬৫ টাকা | ১০৮১ টাকা | ১৯৩৮ টাকা |
| ঢাকা – চুয়াডাঙ্গা | ৪৭০ টাকা | ৮৯৭ টাকা | ১৬১০ টাকা |
| ঢাকা – ভেড়ামারা | ৪১০ টাকা | ৭৮২ টাকা | ১৪০৯ টাকা |
| ঢাকা – ঈশ্বরদী | ৩৪০ টাকা | ৫৫৬ টাকা | ১১৭৩ টাকা |
| ঢাকা – উল্লাপাড়া | ২৭৫ টাকা | ৫২৫ টাকা | ৯৩৮ টাকা |
| ঢাকা – ইব্রাহিমাবাদ | ১৪০ টাকা | ২৭১ টাকা | ৪৭৮ টাকা |
| ঢাকা – জয়দেবপুর | ৫০ টাকা | ১১৫ টাকা | ১৫০ টাকা |
অনলাইনে টিকিট কাটার সময় যা জানা প্রয়োজন
চিত্রা এক্সপ্রেসের টিকিট অনলাইনে কিনলে নির্ধারিত ভাড়ার সঙ্গে অতিরিক্ত ২০ টাকা সার্ভিস চার্জ যুক্ত হয়। তাই টিকিট বুকিংয়ের সময় মোট প্রদেয় অর্থ যাচাই করে নেওয়া উচিত।
- অনলাইনে টিকিট কাটলে ২০ টাকা অতিরিক্ত চার্জ প্রযোজ্য।
- ভ্রমণের তারিখ অনুযায়ী আগে থেকেই টিকিট সংগ্রহ করা ভালো।
- জনপ্রিয় ছুটি ও উৎসবের সময় টিকিট দ্রুত শেষ হয়ে যেতে পারে।
- ভ্রমণের আগে টিকিটে উল্লেখিত কোচ ও আসন নম্বর যাচাই করুন।
কোন শ্রেণির আসন নির্বাচন করবেন?
আপনার বাজেট ও ভ্রমণের প্রয়োজন অনুযায়ী আসন নির্বাচন করা সবচেয়ে ভালো সিদ্ধান্ত। স্বল্প খরচে যাত্রা করতে চাইলে শোভন চেয়ার উপযুক্ত। তুলনামূলক বেশি আরাম চাইলে স্নিগ্ধা নির্বাচন করা যেতে পারে। দীর্ঘ যাত্রায় সর্বোচ্চ আরামের জন্য এসি শ্রেণি উপযোগী।
- শোভন চেয়ার: কম খরচে সাধারণ যাত্রার জন্য উপযুক্ত।
- স্নিগ্ধা: উন্নত মানের আরামদায়ক আসন।
- এসি: শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে দীর্ঘ ভ্রমণের জন্য উপযোগী।
চিত্রা এক্সপ্রেস ট্রেনের ইতিহাস কী?
চিত্রা এক্সপ্রেস বাংলাদেশের একটি জনপ্রিয় আন্তঃনগর ট্রেন, যা রাজধানী ঢাকা ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ শহর খুলনার মধ্যে নিয়মিত চলাচল করে। ট্রেনটি প্রথম চালু হয় ৭ অক্টোবর ২০০৭ এবং বর্তমানে এটি বাংলাদেশ রেলওয়ের পশ্চিমাঞ্চল রেল বিভাগের অধীনে পরিচালিত হচ্ছে। শুরু থেকেই দ্রুত যাতায়াত, নির্ধারিত সময়সূচী এবং দীর্ঘ রুটে আরামদায়ক ভ্রমণের কারণে এটি যাত্রীদের কাছে আস্থার প্রতীক হয়ে উঠেছে।
চিত্রা এক্সপ্রেস বর্তমানে সপ্তাহে ছয় দিন চলাচল করে এবং প্রতি রবিবার সাপ্তাহিক বন্ধ থাকে। ট্রেনটি ব্রডগেজ লাইনে পরিচালিত হয় এবং চাইনিজ কোচ ব্যবহারের কারণে দীর্ঘ ভ্রমণেও তুলনামূলক আরামদায়ক যাত্রা নিশ্চিত করে। যাত্রীদের জন্য ঘুমানোর ব্যবস্থা, খাদ্য সুবিধা এবং লাগেজ বহনের পৃথক ভ্যানও রয়েছে।
| বিষয় | তথ্য |
|---|---|
| ট্রেনের নাম | চিত্রা এক্সপ্রেস |
| প্রথম যাত্রা | ৭ অক্টোবর ২০০৭ |
| রেল নম্বর | ৭৬৩ / ৭৬৪ |
| পরিচালনা | বাংলাদেশ রেলওয়ে (পশ্চিমাঞ্চল) |
| রেলপথ | ব্রডগেজ (১,৬৭৬ মিমি) |
| সর্বোচ্চ গতি | প্রায় ৯৪ কিমি/ঘণ্টা |
| সাপ্তাহিক চলাচল | ৬ দিন |
| বন্ধের দিন | রবিবার |
চিত্রা এক্সপ্রেস ট্রেনের কোড নম্বর কত?
চিত্রা এক্সপ্রেস ট্রেনের দুটি কোড নম্বর রয়েছে। ৭৬৩ নম্বর ট্রেন খুলনা থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে চলাচল করে এবং ৭৬৪ নম্বর ট্রেন ঢাকা থেকে খুলনার উদ্দেশ্যে পরিচালিত হয়। ট্রেনের অবস্থান জানা, সময়সূচী অনুসন্ধান কিংবা অন্যান্য রেল তথ্যের ক্ষেত্রে এই নম্বর দুটি গুরুত্বপূর্ণ।
| ট্রেন নম্বর | রুট |
|---|---|
| ৭৬৩ | খুলনা → ঢাকা |
| ৭৬৪ | ঢাকা → খুলনা |
চিত্রা এক্সপ্রেস ট্রেনে কী কী সুবিধা রয়েছে?
দীর্ঘ দূরত্বের যাত্রাকে আরামদায়ক করতে চিত্রা এক্সপ্রেসে বিভিন্ন ধরনের সুবিধা রাখা হয়েছে। যাত্রীদের প্রয়োজন বিবেচনায় বসার বিভিন্ন শ্রেণি, লাগেজ পরিবহন ও খাদ্য সুবিধার ব্যবস্থা রয়েছে। যদিও ট্রেনে আলাদা বিনোদন ব্যবস্থা নেই তবুও নিয়মিত ভ্রমণের জন্য এটি অন্যতম নির্ভরযোগ্য আন্তঃনগর ট্রেন হিসেবে পরিচিত।
- শোভন চেয়ার, স্নিগ্ধা ও এসি শ্রেণির আসন।
- লাগেজ বহনের জন্য আলাদা ভ্যান।
- দীর্ঘ যাত্রার উপযোগী আরামদায়ক কোচ।
- খাদ্য সংগ্রহের সুবিধা।
- ব্রডগেজ লাইনে পরিচালিত হওয়ায় তুলনামূলক স্থিতিশীল ভ্রমণ।
টিকিট বুকিং ও ভ্রমণের আগে কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ
চিত্রা এক্সপ্রেসে নিয়মিত যাত্রীদের অভিজ্ঞতা অনুযায়ী, ছুটির দিন ও উৎসবের সময় টিকিটের চাহিদা অনেক বেশি থাকে। তাই আগেভাগে টিকিট সংগ্রহ করা সুবিধাজনক। এছাড়া যাত্রার দিন সময়সূচী পুনরায় যাচাই করলে অপ্রয়োজনীয় ঝামেলা এড়ানো যায়।
- অগ্রিম টিকিট বুকিং করুন, বিশেষ করে ঈদ ও সরকারি ছুটির সময়।
- স্টেশনে অন্তত ৩০ মিনিট আগে পৌঁছান।
- জাতীয় পরিচয়পত্র বা প্রয়োজনীয় পরিচয়পত্র সঙ্গে রাখুন।
- টিকিটে উল্লেখিত কোচ ও আসন নম্বর মিলিয়ে নিন।
- সর্বশেষ সময়সূচীর জন্য বাংলাদেশ রেলওয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট দেখুন।
গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর
চিত্রা এক্সপ্রেস ট্রেনের কোড নম্বর কত?
চিত্রা এক্সপ্রেস ট্রেনের কোড নম্বর ৭৬৩ এবং ৭৬৪। এর মধ্যে ৭৬৩ নম্বর ট্রেন খুলনা থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে চলাচল করে এবং ৭৬৪ নম্বর ট্রেন ঢাকা থেকে খুলনার উদ্দেশ্যে পরিচালিত হয়। ট্রেনের অবস্থান জানা, টিকিট সংক্রান্ত তথ্য খোঁজা কিংবা সময়সূচী যাচাইয়ের ক্ষেত্রে এই কোড নম্বর দুটি ব্যবহার করা হয়।
চিত্রা এক্সপ্রেস ট্রেন এখন কোথায় আছে তা কীভাবে জানবেন?
চিত্রা এক্সপ্রেস ট্রেনের বর্তমান অবস্থান জানতে মোবাইল ফোনের মেসেজ অপশনে গিয়ে TR 763 লিখে ১৬৩১৮ নম্বরে পাঠিয়ে দিন। কিছুক্ষণের মধ্যেই ফিরতি মেসেজে ট্রেনের সর্বশেষ অবস্থান জানিয়ে দেওয়া হবে। ঢাকা থেকে খুলনাগামী ট্রেনের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম প্রযোজ্য, প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট ট্রেন নম্বর ব্যবহার করতে হবে।
চিত্রা এক্সপ্রেস ট্রেনের বন্ধের দিন বা অফ ডে কবে?
চিত্রা এক্সপ্রেস ট্রেনের সাপ্তাহিক বন্ধের দিন রবিবার। ট্রেন নম্বর ৭৬৩ এবং ৭৬৪—উভয় ট্রেনই রবিবার চলাচল করে না। সপ্তাহের বাকি ছয় দিন নিয়মিত যাত্রীসেবা প্রদান করে। তাই ভ্রমণের পরিকল্পনা করার সময় রবিবারের বিষয়টি মাথায় রাখা উচিত।
চিত্রা এক্সপ্রেসে ঢাকা থেকে খুলনা যেতে কত সময় লাগে?
চিত্রা এক্সপ্রেস ট্রেনে ঢাকা থেকে খুলনা পৌঁছাতে সাধারণত প্রায় ৯ ঘণ্টা ৩০ মিনিট সময় লাগে। তবে সিগন্যাল, ক্রসিং, আবহাওয়া বা পরিচালনাগত কারণে প্রকৃত যাত্রার সময় কিছুটা পরিবর্তিত হতে পারে।
চিত্রা এক্সপ্রেসে কোন কোন শ্রেণির আসন রয়েছে?
চিত্রা এক্সপ্রেসে সাধারণত শোভন চেয়ার, স্নিগ্ধা এবং এসি—এই তিন ধরনের আসনের ব্যবস্থা রয়েছে। যাত্রীরা নিজের বাজেট ও আরামের চাহিদা অনুযায়ী আসন নির্বাচন করতে পারেন।
চিত্রা এক্সপ্রেসের সর্বোচ্চ ভাড়া কত?
বর্তমান ভাড়ার তালিকা অনুযায়ী চিত্রা এক্সপ্রেসের এসি শ্রেণির টিকিটের মূল্য ২১৬৮ টাকা। অনলাইনে টিকিট বুকিং করলে অতিরিক্ত ২০ টাকা সার্ভিস চার্জ যুক্ত হতে পারে।
শেষ কথা
চিত্রা এক্সপ্রেস বাংলাদেশের অন্যতম নির্ভরযোগ্য আন্তঃনগর ট্রেন যা ঢাকা ও খুলনার মধ্যে নিয়মিত যাত্রীসেবা প্রদান করে। নির্ধারিত সময়সূচী, বিভিন্ন শ্রেণির আসন, তুলনামূলক আরামদায়ক ভ্রমণ ও গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনগুলোতে যাত্রাবিরতির কারণে এটি প্রতিদিন অসংখ্য যাত্রীর প্রথম পছন্দ। ভ্রমণের আগে সর্বশেষ সময়সূচী, ভাড়া এবং টিকিটের তথ্য যাচাই করলে যাত্রা আরও সহজ ও নির্ভার হবে।
Is an Entrepreneur, Business Adviser. He loves to do research on the business and acquire knowledge on the business topic and this knowledge he used in his business. He also believes that sharing is caring that’s why he starts to write for those people who actually need help with the business, jobs, management, soft skills, and self-employed topic which is very important for them.
