ময়মনসিংহ থেকে ঢাকা ট্রেনের সময়সূচী ২০২৬
ময়মনসিংহ থেকে ঢাকা ট্রেনের সময়সূচী নিয়ে যারা খোঁজাখুঁজি করছেন, তাদের জন্য সরাসরি উত্তরটা আগেই বলে রাখা ভালো। ঢাকা কমলাপুর থেকে ময়মনসিংহের উদ্দেশ্যে দিনে মোট পাঁচটি লোকাল ট্রেন ছাড়ে বলাকা কমিউটার (ভোর ০৪:৪৫), দেওয়ানগঞ্জ কমিউটার (সকাল ০৫:৪০), মহুয়া কমিউটার (সকাল ০৮:১৫), জামালপুর কমিউটার (বিকাল ০৩:৪০) এবং ভাওয়াল এক্সপ্রেস (রাত ০৮:১৫)। সকাল সকাল পৌঁছাতে চাইলে বলাকা কমিউটারই সবচেয়ে ভালো অপশন, কারণ এটি সকাল ০৮:১৫ নাগাদ ময়মনসিংহ জংশনে পৌঁছে দেয়।
প্রতিদিন হাজারো মানুষ কাজে, পড়াশোনায় বা আত্মীয়ের বাড়িতে যাতায়াতের জন্য এই লোকাল ট্রেনগুলোর উপর নির্ভর করেন। আন্তঃনগর ট্রেনের তুলনায় ভাড়া কম, টিকিট পাওয়াও তুলনামূলক সহজ এই দুটো কারণেই লোকাল ট্রেন এখনও ময়মনসিংহ রুটের যাত্রীদের প্রথম পছন্দ। তবে সময়সূচী মনে রাখা এবং কোন স্টেশনে কোন ট্রেন থামে তা জানা না থাকলে মাঝপথে বিভ্রান্তিতে পড়তে হয়। এই লেখায় প্রতিটি ট্রেনের স্টেশনভিত্তিক সময়, ভাড়ার ধারণা এবং বাস্তব যাত্রার অভিজ্ঞতা থেকে পাওয়া কিছু পরামর্শ তুলে ধরা হলো, যাতে আপনার যাত্রাটা আরেকটু ঝামেলামুক্ত হয়।
আরও জেনে নিনঃ এয়ারপোর্ট টু কমলাপুর ট্রেনের সময়সূচী
Table of Contents
ভোরে রওনা দিতে চাইলে কোন ট্রেনে যাবো? বলাকা কমিউটার
যারা দিনের প্রথম ট্রেনেই রওনা দিতে চান, তাদের জন্য উত্তরটা সহজ বলাকা কমিউটার। কোড নম্বর ৪৯ এই ট্রেনটি ঢাকা কমলাপুর থেকে ভোর ০৪টা ৪৫ মিনিটে ছেড়ে যাত্রাপথের প্রতিটি স্টপেজ পার হয়ে সকাল ০৮টা ১৫ মিনিটে ময়মনসিংহ জংশনে পৌঁছায়। যারা সকাল সকাল অফিস বা পরীক্ষার হলে পৌঁছাতে চান, তাদের কাছে এই ট্রেনটি বেশ জনপ্রিয়।
একটা বাস্তব ব্যাপার মাথায় রাখা দরকার ভোর সাড়ে তিনটা-চারটার দিকে টঙ্গী স্টেশনে উঠলে বসার জায়গা পাওয়া বেশ কঠিন হয়ে যায়, কারণ কমলাপুর থেকে ওঠা যাত্রীরা ততক্ষণে প্রায় সব সিট নিয়ে নেন। যাদের বাসা টঙ্গী বা তার আশপাশে, তারা চাইলে একটু পরের ট্রেন দেওয়ানগঞ্জ কমিউটার বেছে নিতে পারেন, যেখানে ভিড় তুলনামূলক কম থাকে।
| স্টেশনের নাম | সময়সূচী |
|---|---|
| ঢাকা কমলাপুর | ভোর ০৪টা ৪৫ মিনিট |
| তেজগাঁও | ভোর ০৪টা ৫৮ মিনিট |
| বিমানবন্দর | সকাল ০৫টা ১৫ মিনিট |
| টঙ্গী | সকাল ০৫টা ২৫ মিনিট |
| জয়দেবপুর | সকাল ০৫টা ৪২ মিনিট |
| রাজেন্দ্রপুর | সকাল ০৬টা ০২ মিনিট |
| শ্রীপুর | সকাল ০৬টা ২৩ মিনিট |
| কাওরাইদ | সকাল ০৬টা ৪৫ মিনিট |
| মশাখালী | সকাল ০৭টা ০০ মিনিট |
| গফরগাঁও | সকাল ০৭টা ১৫ মিনিট |
| ধলা | সকাল ০৭টা ৩০ মিনিট |
| আউলিনগর | সকাল ০৭টা ৩৮ মিনিট |
| ফাতেমা নগর | সকাল ০৮টা ০০ মিনিট |
| ময়মনসিংহ জংশন | সকাল ০৮টা ১৫ মিনিট |
| গৌরীপুর | সকাল ০৯টা ০০ মিনিট |
| জারিয়া | সকাল ১০টা ১০ মিনিট |
টিকিট কাটার ক্ষেত্রে একটা ছোট পরামর্শ যাত্রার আগের সন্ধ্যায় বা যাত্রার দিন অন্তত এক ঘণ্টা আগে কাউন্টারে চলে যাওয়া ভালো, বিশেষ করে ঈদ বা পূজার আগে-পরে যখন স্টেশন লোকে লোকারণ্য থাকে।
আরও জেনে নিনঃ ঢাকা টু চট্টগ্রাম ট্রেনের সময়সূচী
টঙ্গী থেকে উঠলে ভালো সিট পাবো কোন ট্রেনে? দেওয়ানগঞ্জ কমিউটার
টঙ্গী বা তার আশপাশ থেকে যাত্রা শুরু করা মানুষদের জন্য দেওয়ানগঞ্জ কমিউটার একটা ভালো বিকল্প। এই ট্রেনটি জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ থেকে ছেড়ে আসে এবং ময়মনসিংহ হয়ে ঢাকা পর্যন্ত চলাচল করে, আবার একইভাবে ঢাকা কমলাপুর থেকে নির্দিষ্ট স্টপেজ শেষে জামালপুরের দিকে ফিরে যায়।
ঢাকা কমলাপুর থেকে এই ট্রেন ছাড়ে সকাল ০৫টা ৪০ মিনিটে, অর্থাৎ বলাকা কমিউটারের প্রায় এক ঘণ্টা পর। এই সামান্য সময়ের ব্যবধানই টঙ্গী স্টেশনে সিট পাওয়ার সম্ভাবনা কিছুটা বাড়িয়ে দেয়, কারণ এতক্ষণে কমলাপুরের ভিড়টা কিছুটা কমে আসে।
| স্টেশনের নাম | সময়সূচী |
|---|---|
| ঢাকা কমলাপুর | সকাল ০৫টা ৪০ মিনিট |
| তেজগাঁও | সকাল ০৫টা ৫৫ মিনিট |
| বিমানবন্দর | সকাল ০৬টা ১০ মিনিট |
| টঙ্গী | সকাল ০৬টা ২০ মিনিট |
| জয়দেবপুর | সকাল ০৬টা ৩৫ মিনিট |
| শ্রীপুর | সকাল ০৭টা ০২ মিনিট |
| কাওরাইদ | সকাল ০৭টা ২৫ মিনিট |
| মশাখালী | সকাল ০৭টা ৩৪ মিনিট |
| গফরগাঁও | সকাল ০৭টা ৫০ মিনিট |
| ধলা | সকাল ০৮টা ০০ মিনিট |
| আউলিনগর | সকাল ০৮টা ১১ মিনিট |
| ফাতেমা নগর | সকাল ০৮টা ৩০ মিনিট |
| ময়মনসিংহ জংশন | সকাল ০৮টা ৫৫ মিনিট |
| বিদ্যাগঞ্জ | সকাল ০৯টা ১৬ মিনিট |
যারা প্রথমবার এই রুটে যাচ্ছেন, তাদের জন্য একটা কথা বলে রাখা ভালো গফরগাঁও থেকে ধলা পর্যন্ত অংশে ট্রেন কিছুটা ধীরে চলে, তাই সময়সূচীর সঙ্গে ৫-১০ মিনিট এদিক-ওদিক হলে চিন্তার কিছু নেই।
দিনের মধ্যভাগে যাত্রা করতে চাইলে কোন ট্রেন উপযুক্ত? মহুয়া কমিউটার
সকালের তাড়াহুড়ো এড়িয়ে একটু দেরিতে বের হতে চাইলে মহুয়া কমিউটারই সবচেয়ে ভালো সমাধান। এই ট্রেনটি ঢাকা কমলাপুর থেকে সকাল ০৮টা ১৫ মিনিটে ছেড়ে যাত্রাপথের সব স্টপেজ পার হয়ে ময়মনসিংহ পৌঁছায়। বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য হলো, ময়মনসিংহে থেমে না গিয়ে এই ট্রেন পরে গৌরীপুর ও নেত্রকোনা হয়ে মোহনগঞ্জ পর্যন্ত চলে যায়, তাই যারা নেত্রকোনার দিকে যাবেন তাদের জন্যও এটি কাজের।
একটা জিনিস মনে রাখা দরকার কমলাপুর থেকে ট্রেন দেরিতে ছাড়লে পুরো শিডিউলেই তার প্রভাব পড়ে। এমন পরিস্থিতিতে ১০ থেকে ১৫ মিনিট বিলম্ব হওয়াটা অস্বাভাবিক কিছু নয়, বিশেষ করে জয়দেবপুর পার হওয়ার পরের স্টেশনগুলোতে।
| স্টেশনের নাম | সময়সূচী |
|---|---|
| ঢাকা কমলাপুর | সকাল ০৮টা ১৫ মিনিট |
| তেজগাঁও | সকাল ০৮টা ২৬ মিনিট |
| বিমানবন্দর | সকাল ০৮টা ৪৩ মিনিট |
| টঙ্গী | সকাল ০৮টা ৫৫ মিনিট |
| জয়দেবপুর | সকাল ০৯টা ১৫ মিনিট |
| ভাওয়াল গাজীপুর | সকাল ০৯টা ২৫ মিনিট |
| রাজেন্দ্রপুর | সকাল ০৯টা ৩২ মিনিট |
| শ্রীপুর | সকাল ০৯টা ৫১ মিনিট |
| কাওরাইদ | সকাল ১০টা ০৮ মিনিট |
| মশাখালী | সকাল ১০টা ৩০ মিনিট |
| গফরগাঁও | সকাল ১০টা ৪৫ মিনিট |
| আউলিয়া নগর | সকাল ১১টা ১০ মিনিট |
| আহমেদ বাড়ি | সকাল ১১টা ২০ মিনিট |
| ফাতেমা নগর | সকাল ১১টা ৩০ মিনিট |
| ময়মনসিংহ জংশন | সকাল ১১টা ৫০ মিনিট |
যারা দুপুরের খাবারের আগে ময়মনসিংহ পৌঁছাতে চান, তাদের জন্য এই ট্রেনের সময়টা বেশ মানানসই। তবে গরমের দিনে বেলা বাড়ার সাথে সাথে ট্রেনের ভেতরে ভিড় বাড়তে থাকে, তাই আরাম করে বসতে চাইলে কমলাপুর থেকেই ওঠার চেষ্টা করা ভালো।
অফিস শেষে বিকেলে রওনা দিতে চাইলে কোন ট্রেন ধরবো? জামালপুর কমিউটার
যারা সকালে কাজ সেরে বিকেলের দিকে রওনা দিতে চান, তাদের জন্য জামালপুর কমিউটার একটা নির্ভরযোগ্য অপশন। এই ট্রেনটি নিয়মিতভাবে ঢাকা কমলাপুর থেকে জামালপুর জেলার দেওয়ানগঞ্জ স্টেশন পর্যন্ত চলাচল করে, এবং পথে ময়মনসিংহেও থামে। ময়মনসিংহের অন্যতম জনপ্রিয় কমিউটার ট্রেন হিসেবে এটি পরিচিত।
কমলাপুর থেকে এই ট্রেন ছাড়ে বিকাল ০৩টা ৪০ মিনিটে, ফলে যারা অফিস বা ব্যাংকের কাজ সেরে বিকেলে বের হতে চান, তাদের জন্য সময়টা বেশ সুবিধাজনক। সন্ধ্যা নামার আগেই ময়মনসিংহ জংশনে পৌঁছে যাওয়া যায়।
| স্টেশনের নাম | সময়সূচী |
|---|---|
| ঢাকা কমলাপুর | বিকাল ০৩টা ৪০ মিনিট |
| তেজগাঁও | বিকাল ০৩টা ৫১ মিনিট |
| বিমানবন্দর | বিকাল ০৪টা ০৮ মিনিট |
| টঙ্গী | বিকাল ০৪টা ২০ মিনিট |
| জয়দেবপুর | বিকাল ০৪টা ৩৬ মিনিট |
| শ্রীপুর | বিকাল ০৫টা ০২ মিনিট |
| কাউরাইদ | বিকাল ০৫টা ২০ মিনিট |
| মশাখালী | বিকাল ০৫টা ৩৫ মিনিট |
| গফরগাঁও | বিকাল ০৫টা ৪৮ মিনিট |
| ধলা | বিকাল ০৬টা ০৫ মিনিট |
| আউলিয়া নগর | সন্ধ্যা ০৬টা ২০ মিনিট |
| ময়মনসিংহ জংশন | সন্ধ্যা ০৬টা ৪৮ মিনিট |
| বিদ্যাগঞ্জ | সন্ধ্যা ০৭টা ২০ মিনিট |
বিকেলের এই ট্রেনে সাধারণত অফিসফেরত যাত্রী বেশি থাকেন, বিশেষ করে টঙ্গী ও জয়দেবপুর থেকে। তাই বসার জায়গা নিশ্চিত করতে চাইলে কমলাপুর থেকেই ওঠা বুদ্ধিমানের কাজ।
রাতে সবশেষ কোন ট্রেন পাওয়া যায়? ভাওয়াল এক্সপ্রেস
নাম শুনে অনেকেই ভাবেন ভাওয়াল এক্সপ্রেস বুঝি কোনো আন্তঃনগর ট্রেন, কিন্তু আসলে তা নয়। এটি অন্য সব লোকাল ট্রেনের মতোই একটি সাধারণ কমিউটার ট্রেন, যা দিনের সবশেষ ট্রেন হিসেবে চলাচল করে।
ঢাকা কমলাপুর থেকে রাত ০৮টা ১৫ মিনিটে জামালপুরের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাওয়া এই ট্রেন যাত্রাপথের নির্দিষ্ট স্টপেজ শেষে ময়মনসিংহ পৌঁছায় রাত ১১টা ৫০ মিনিটে। যারা সন্ধ্যার পরে ঢাকায় কাজ সেরে রাতেই বাড়ি ফিরতে চান, তাদের জন্য এটিই একমাত্র ভরসা।
রাতের ট্রেন হওয়ায় মাঝেমধ্যে দেরি হওয়াটা স্বাভাবিক ব্যাপার কমলাপুর থেকে দেরিতে ছাড়লে নির্দিষ্ট স্টেশনে পৌঁছাতে ১০-১৫ মিনিট বিলম্ব হতেই পারে। রাতের যাত্রায় নিরাপত্তার দিকটাও একটু বাড়তি খেয়াল রাখা ভালো, বিশেষ করে একা যাত্রা করলে।
ঢাকা থেকে ময়মনসিংহ লোকাল ট্রেনের সংক্ষিপ্ত সময়সূচী
- বলাকা কমিউটার: কমলাপুর থেকে ভোর ০৪টা ৪৫ মিনিটে ছাড়ে
- দেওয়ানগঞ্জ কমিউটার: কমলাপুর থেকে সকাল ০৫টা ৪০ মিনিটে ছাড়ে
- মহুয়া কমিউটার: কমলাপুর থেকে সকাল ০৮টা ১৫ মিনিটে ছাড়ে
- জামালপুর কমিউটার: কমলাপুর থেকে বিকাল ০৩টা ৪০ মিনিটে ছাড়ে
- ভাওয়াল এক্সপ্রেস: কমলাপুর থেকে রাত ০৮টা ১৫ মিনিটে ছাড়ে
লোকাল ট্রেনের ভাড়া কেমন হতে পারে?
ময়মনসিংহ থেকে ঢাকা ট্রেনের সময়সূচী জানার পাশাপাশি ভাড়ার ধারণা থাকাও জরুরি। লোকাল ট্রেনের ভাড়া নির্ভর করে আপনি কোন স্টেশন থেকে কোন স্টেশন পর্যন্ত যাত্রা করছেন তার ওপর, তবে সার্বিকভাবে এই ট্রেনের ভাড়া বেশ সাশ্রয়ী।
আন্তঃনগর ট্রেনের তুলনায় লোকাল ট্রেনের ভাড়া প্রায় অর্ধেক বলা যায়। আন্তঃনগর ট্রেনে অনলাইনে সিট পাওয়ার জন্য রীতিমতো প্রতিযোগিতা করতে হয়, অথচ লোকাল ট্রেনের টিকিট কাউন্টার থেকে যাত্রার দিনও সহজে পাওয়া যায়।
টিকিট কাটার সময় কোন বিষয়গুলো মাথায় রাখা উচিত?
- যাত্রার অন্তত এক ঘণ্টা আগে স্টেশন কাউন্টারে পৌঁছানো ভালো, বিশেষ করে ব্যস্ত সময়ে
- ঈদ, পূজা বা অন্য ছুটির মৌসুমে টিকিটের চাপ বেশি থাকে, তাই আরও আগে যাওয়া উচিত
- সময়সূচী পরিবর্তন হতে পারে বলে যাত্রার দিন একবার স্টেশন মাস্টারের সঙ্গে যোগাযোগ করে নেওয়া নিরাপদ
মূল কথা: ট্রেনের অফিসিয়াল সময়সূচি মাঝে বদলালেও আমরা সর্বশেষ ২০২৬-এর ধরন দিয়েছি। সুনিশ্চিত যাত্রায় স্টেশন মাস্টার বা ১৬৩২৪ নম্বরে একবার কল নিতে পারেন।
প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন
ময়মনসিংহ থেকে ঢাকার লোকাল ট্রেনে কত ঘণ্টা লাগে?
সাধারণত ঢাকা থেকে ময়মনসিংহ পৌঁছাতে লোকাল ট্রেনে সাড়ে তিন থেকে চার ঘণ্টার মতো সময় লাগে, ট্রেনভেদে এবং স্টপেজ সংখ্যার ওপর নির্ভর করে এটি কিছুটা কমবেশি হতে পারে।
ময়মনসিংহের সবচেয়ে সকালের লোকাল ট্রেন কোনটি?
বলাকা কমিউটার সবচেয়ে সকালের ট্রেন, যা কমলাপুর থেকে ভোর ০৪টা ৪৫ মিনিটে ছেড়ে সকাল ০৮টা ১৫ মিনিটে ময়মনসিংহ জংশনে পৌঁছায়।
রাতে ময়মনসিংহ যাওয়ার লোকাল ট্রেন আছে কি?
হ্যাঁ, ভাওয়াল এক্সপ্রেস রাতের সবশেষ ট্রেন হিসেবে চলাচল করে যা কমলাপুর থেকে রাত ০৮টা ১৫ মিনিটে ছেড়ে রাত ১১টা ৫০ মিনিটে ময়মনসিংহ পৌঁছায়।
কোন লোকাল ট্রেন নেত্রকোনা বা মোহনগঞ্জ পর্যন্ত যায়?
মহুয়া কমিউটার ময়মনসিংহ পার হয়ে গৌরীপুর ও নেত্রকোনা হয়ে মোহনগঞ্জ পর্যন্ত চলাচল করে।
লোকাল ট্রেনের টিকিট কোথা থেকে কাটতে হয়?
লোকাল ট্রেনের টিকিট সাধারণত সংশ্লিষ্ট স্টেশনের কাউন্টার থেকে কাটতে হয়, এবং যাত্রার দিনও এটি সহজলভ্য থাকে।
ময়মনসিংহ লোকাল ট্রেন কি প্রায়ই দেরি করে?
মাঝেমধ্যে শিডিউল বিপর্যয়ের কারণে ১০ থেকে ১৫ মিনিট বিলম্ব হতে পারে, বিশেষ করে ট্রেন কমলাপুর থেকে দেরিতে ছাড়লে এর প্রভাব পরের স্টেশনগুলোতে পড়ে।
টঙ্গী থেকে উঠলে কোন ট্রেনে ভালো সিট পাওয়া সহজ?
বলাকা কমিউটারে টঙ্গী থেকে ওঠা যাত্রীদের জন্য সিট পাওয়া কঠিন হতে পারে, তাই দেওয়ানগঞ্জ কমিউটার একটু ভালো বিকল্প হতে পারে টঙ্গী থেকে যাত্রীদের জন্য।
ময়মনসিংহ লোকাল ট্রেনের ভাড়া কি আন্তঃনগরের চেয়ে কম?
হ্যাঁ, লোকাল ট্রেনের ভাড়া আন্তঃনগর ট্রেনের তুলনায় প্রায় অর্ধেক, তবে সঠিক ভাড়া স্টেশন থেকে স্টেশনের দূরত্বের ওপর নির্ভর করে।
এই লেখাটি তথ্যমূলক উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়েছে। ট্রেনের সময়সূচী বাংলাদেশ রেলওয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী যেকোনো সময় পরিবর্তিত হতে পারে, তাই যাত্রার আগে স্টেশন কাউন্টার বা রেলওয়ে হেল্পলাইনে যোগাযোগ করে নিশ্চিত হয়ে নেওয়াই ভালো।
Is an Entrepreneur, Business Adviser. He loves to do research on the business and acquire knowledge on the business topic and this knowledge he used in his business. He also believes that sharing is caring that’s why he starts to write for those people who actually need help with the business, jobs, management, soft skills, and self-employed topic which is very important for them.
